ফাইটার বিমানের প্রকারভেদ

আগে মিগ-২৯ নিয়া একখানা পোস্ট দিয়েছি। ভাবলাম অন্য ফাইটার প্লেন নিয়া আলোচনার আগে ফাইটার প্লেনের প্রকার নিয়া কিছু সাধারন আলোচনা করি।

ফাইটার প্লেন বা জঙ্গী বিমান প্রধানত ৪ প্রকার। যথাঃ

১. এ্যটাক ফাইটারঃ  এই ফাইটার ভুমিতে অবস্থিত লক্ষবস্তুতে আঘাত করার জন্য তৈরি। অন্য বিমান ধ্বংশের জন্য অনেক সময় এতে অল্প অস্ত্র থাকে। যেমন Jaguar, F111, F117(Stealth), F-15E (Strike Eagle), A10, Su24, Su25, Su34,  Mig 23, Mig 27 ইত্যাদি। বেশিরভাগ দেশই এ্যটাক ফাইটার ব্যবহার করে।

SEPECAT Jaguar:
SEPECAT Jaguar:




২. এয়ার সুপিরিউরিটি ফাইটারঃ এই ফাইটার ফাইটার আকাশে অন্য যে কোন ফাইটার বা বিমান ধ্বংশের জন্য বিশেষভাবে তৈরি। এটা ডগ ফাইটে এবং ম্যনুভারিটিতে বিশেষভাবে দক্ষ। আমেরিকার F15 ঈগল সম্ভবত বর্তমানে বর্তমানে প্রচলিত একমাত্র ফাইটার যা শুধু আকাশের টার্গেট ধ্বংশ করতে পারে। ভূমিতে কোন আক্রমন করতে পারে না। এছাড়া F14, Su27, Su35, F22, Eurofighter Taifun এসব মূলত্ব এয়ার সুপিরিউরিটির দিকে লক্ষ রেখে তৈরি হয়েছে। আমেরিকা - রাশিয়াই মূলতঃ এর ব্যবহারকারী।

F-15 Eagle:
F-1515 Eagle

৩. ইন্টারসেপ্টরঃ এটাও অন্য বিমান ধ্বংশের জন্য তৈরি। তবে এর কাজ হলো দেশের সীমানায় অনুপ্রবেশকারী অন্য বিমান (ক্ষেত্রবিশেষে মিসাইল) দ্রুত বেগে গিয়ে ধ্বংশ করা। ইন্টারসেপ্টরে গতি অনেক দ্রুত হয়। রাশিয়াই শুধু ইন্টারসেপ্টর হিসেবে আলাদা বিমান তৈরি করেছে। তাদের Mig 25, Mig 31 ইন্টারসেপ্টর। আমেরিকা F15 দিয়েই কাজ চালায়।

Mikoyan MiG-31:
Mikoyan MiG-31

৪. মাল্টিরোল ফাইটারঃ এই ক্যাটাগরিতেই বেশিরভাগ ফাইটার পরে। এগুলো গ্রাউন্ড এ্যটাক, অন্য বিমান ধ্বংশ সবই পারে। তবে সাধারনত এয়ার সুপিরিউরিটিকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। যেমন Mig-21, Mig29, Mig 35, Su27, Su30, Su37, Su47, F16, F18, F35, Dassault Rafale, Mirage 2000, Saab Gripen ইত্যাদি। বেশিরভাগ দেশই মাল্টিরোল ফাইটার ব্যবহার করে।
Saab JAS 39 Gripen:
Saab JAS 39 Gripen

এয়ারক্রাফট ক্যরিয়ার অল্প জায়গায় ওঠানামা করার জন্য বিশেষভাবে তৈরি মাল্টিরোল ফাইটার ব্যবহার করে। যেমন F14, F18, Su33, Mig29K। এছারা সোজা ওঠানামা করার (VTOL) ফাইটার আছে যা এ্যটাক ফাইটার ক্যাটাগরিতেই পরে। যেমন Harrier ।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

একে-৪৭ এসল্ট রাইফেল (AK-47)

এফ ১৫ ঈগল