পোস্টগুলি

ফিলিস্তিন-ইসরাইল দ্বন্দ্ব

ছবি
  সন ১৮৯৬। সমস্ত ইউরোপে জাতিয়তাবাদী চেতনা জনপ্রিয়তা লাভ করছে। এসময় হাঙ্গেরীয়ার ইহুদি দার্শনিক থিওডোর হার্জেল তার ”জায়ওনিজম” মতবাদ প্রকাশ করেন। এ মতবাদে তিনি ইহুদিদের জন্য আলাদা একটি রাস্ট্রের দাবী করেন এবং প্যালেস্টাইনের ভূখন্ডকে এ রাস্ট্রের জন্য সবচেয়ে উপযোগী বলে দাবী করেন। তার এ মতবাদ ইউরোপজুরে ইহুদিদের মধ্যে ব্যপক জনপ্রিয়তা পায় এবং ইহুদিরা সংগঠিত হতে শুরু করে। উল্লেখ্য ঐ সময় প্যালেস্টাইন তুর্কি অটোমান সাম্রাজ্যের অধীনে একটি প্রদেশ ছিল। এখানে সংখ্যাগরিস্ট মুসলমানদের সাথে খ্রিস্টান ও আরব ইহুদিরাও মিলেমিশে থাকতো, তাদের মধ্যে কোন সাম্প্রদায়িক সমস্যা ছিল না। ১৯০১ সালে থিওডোর হার্জেল অটোমান সম্রাট ২য় আব্দুল হামিদের  সাথে দেখা করে প্যালেস্টাইন এলাকায় একটি ইহুদি রাস্ট্রের জন্য জমি চান, বিনিময়ে বলেন যে ইহুদিরা তুরস্কের সমস্ত বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ করে দেবে। তুর্কি সুলতান তার এ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলে তিনি ইংল্যান্ডে চলে আসেন এবং ইহুদিদের সংগঠিত করতে থাকেন। ইহুদিরা এসময় প্যালেস্টাইনের বিকল্প এলাকা খুজতে থাকে এবং আফ্রিকার উগান্ডায় রাস্ট্র স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাই শুরু হয়। প্রথম বিশ্বযু...

লো বাজেট বিল্ড

ছবি
আজকাল অনেকেই ২০ হাজার টাকার মধ্যে লো বাজেট বিল্ড চান; অফিসিয়াল কাজ, ইন্টারনেট চালানো এসব কাজের জন্য। আবার গেম খেলার জন্যও কেউ কেউ এ বাজেটে বিল্ড চান। মনিটরসহ ২৫ হাজার টাকায় ইন্টেলের ৮ম জেনারেশন পেন্টিয়াম ডুয়াল কোর প্রসেসর দিয়ে তাদের বিল্ড সাজেশন দেওয়া হয়, তবে অনেকেইর সেটা নেওয়ারও বাজেট থাকে না। আবার অনেকে পেন্টিয়াম ডুয়াল কোর নিতেও চান না। তাদের জন্য আজকে লো বাজেটে নন গেমিং ও গেমিং দুটি বিল্ড থাকছে ১ম বিল্ড (নন গেমিং ) প্রসেসর:  Intel 4th gen i5-4570, দাম=৫০০০/-, এটা ৪ কোর বিশিষ্ট প্রসেসর। প্রথম avx2 4th gen থেকে ইন্টেলের প্রসেসরে আসে। মনে রাখবেন এটা ৬ বছরের পুরোনো প্রসেসর। মার্কেটে নতুন পাবেন না। তবে প্রসেসর সহজে নষ্ট হয় না। পুরোনো ট্রে প্রসেসর মার্কেটে ৫ হাজার টাকার মধ্যে পাওয়া যায়, সেগুলো দেখে কিনতে হবে। কুলার:  ট্রে প্রসেসরে কুলার থাকে না। ডুপ্লিকেট ১৫০/- টাকার কুলার না কিনে বাজেটের মধ্যে COOLER MASTER I50 AIR CPU COOLER ৬০০/- টাকা বা, Deepcool CK 11509 Air CPU Cooler ৪০০/- টাকা কিনতে পারেন। মাদারবোর্ড:  প্রসেসর পুরোনো কিনলেও মাদারবোর্ড পুরোনো কেনা ঠিক হবে না। কারন ৬ ব...

পাওয়ার সাপ্লাই কোনটা কিনবেন? কোনটা কিনবেন না?

ছবি
ইদানিং বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপে পাওয়ার সাপ্লাই নষ্ট হওয়া সংক্রান্ত পোস্ট দেখি। অনেকেরই পাওয়ার সাপ্লাই কেনার কিছুদিন পরেই নষ্ট হচ্ছে। আসলে সমস্যাটা কোথায়? সেটা নিয়েই এই পোস্ট। যে সমস্যাটার কথা বলবো এটা নিয়ে কোন দোকানদার আপনাকে কোনদিনও বলবে না। আমাদের দেশে বিদ্যুতের ভোল্টেজ ২০০-২২০ ভোল্ট। বেশিরভাগ যন্ত্রপাতি এই ভোল্টেজ এর কথা চিন্তা করেই তৈরি করা হয়। কিন্তু আমাদের বিদ্যুত বিভাগ আমাদের সব সময় সঠিক ভোল্টেজে বিদ্যুত সরবরাহ করতে পারে না। যখন ওভার ভোল্ট বা আন্ডারভোল্ট হয় তখন অনেক সময় কম্পিউটারের পাওয়ার সাপ্লাই নষ্ট হয়ে যায়। বিশেষ করে ভোল্টেজ ১৮০-১৯০ ভোল্টে নেমে আসা আমাদের একটা কমন সমস্যা। এই কম ভোল্টেজই পাওয়ার সাপ্লাই নষ্ট হওয়ার মূল কারন। এখন সমাধানের উপায় কী? ভোল্টেজ স্টাবলাইজার কিনতে পারেন। তবে একটা কাজ করলে স্টাবলাইজার কিনতে হবে না। যখন পাওয়ার সাপ্লাই কিনতে যাবেন তখন Input Voltage লক্ষ করুন। কোনটায় সরাসরি 230V, কোনটায় 200-240V লেখা। একটু লক্ষ করলেই দেখবেন যে এই জাতীয় পাওয়ার সাপ্লাই সচরাচর নষ্ট হচ্ছে। তাহলে কোনটা কিনবেন? আমেরিকা ও জাপানে ১২০ ভোল্টের বিদ্যুত ব্যবহার হয়। যেসব পাওয়ার সাপ্লাই আমের...

Ryzen 5 3400G ওভারপ্রাইসড!

ছবি
  বর্তমানে Ryzen 5 3400G এর ভেগা ১১ গ্রাফ্রিক্স এর কারনে একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় প্রসেসর। অনেকেই এই প্রসেসর দিয়ে বিল্ড নিচ্ছেন। কিন্তু আসলে কি এটা কেনা উচিত? অনেকেই কেনার ২/৩ মাস পরেই GPU কেনা সাজেশন চেয়ে পোস্ট দিচ্ছেন। আমারতো মনে হয় এটা অত্যান্ত ওভার প্রাইসড একটা প্রসেসর। হ্যা আপনার বাজেট যদি কম হয় Ryzen 3 3200G দাম হিসেবে অনেক ভাল প্রসেসর। ২৫/৩০ হাজার টাকা বিল্ড বাজেটে Ryzen 3 3200G দিয়েই বিল্ড নেওয়া উচিত। কিন্তু বাজেট যদি ৪০/৫০ হাজার হয় সেক্ষেত্রে কেন Ryzen 5 3400G দিয়ে নিবেন? Ryzen প্রসেসর এর পারফর্মেন্স ক্যাস মেমরি উপর অনেকটাই নির্ভরশীল। এটার L3 Cache মাত্র 4MB। যেখানে Ryzen 3 3100 এর L3 Cache 16MB। ১০ হাজার টাকার Ryzen 3 3100 প্রসেসর হিসেবে ১৪ হাজার টাকার 3400G এর থেকে অনেক ভাল। এমনকি ৭.৫ হাজার টাকার Intel 9th Gen Core i3 9100F প্রসেসরও 3400G এর থেকে প্রসেসর হিসেবে ভাল। বাজেট কম থাকলে প্রায় একই বাজেটে i3 9100F+ পুরনো ভাল একটা GPU (৭/৮ হাজার) অনেক ভাল পারফর্ম করবে। এমনকি i3 9100F+ gt 1030 ও একটা ভাল অপশন। অন্তত আপগ্রেডের সুযোগ বেশি। আর যদি বাজেট কিছুটা বাড়ানো যায় i3 9100F/Ryzen 3...

এফ ১৬ ফাইটিং ফ্যালকন

ছবি
ফাইটার সিরিজ ৯: এফ ১৬ ফাইটিং ফ্যালকন এফ-১৬ ফাইটিং ফ্যালকন আমেরিকায় তৈরি ৪র্থ জেনারেশন মাল্টিরোল ফাইটার। এটি অন্য বিমানের বিরুদ্ধেও যুদ্ধ করতে পারে আবার ছোটখাট বোমারু বিমানের ভূমিকাতেও নামতে পারে। ১৯৭৮ সালে প্রথম সার্ভিসে এলেও এখনও এটা আমেরিকার প্রধান মাল্টিরোল ফাইটার হিসেবে নিজের অবস্থান ধরে রেখেছে। ইউএস এয়ার ফোর্সে যেসব বিমান বর্তমানে আছে তার মধ্যে এফ-১৬ ই সংখ্যায় সবচেয়ে বেশি। বিভিন্ন কারনে এফ ১৬ নিয়ে আলোচনা সমালোচনাও অনেক।এ্‌ই বিমানকে “ভাইপার” নামেও ডাকা হয়।এফ -১৬ এর প্রথম দিকের সংস্করন F-16A (single seat) and F-16B (two seat)নামে পরিচিত। পরের সংস্করন F-16C (single seat) and F-16D (two seat)নামে পরিচিত।

ইন্টারকন্টিনেন্টাল ব্যালেস্টিক মিজাইল (আইসিবিএম) ২য় পর্ব

ছবি
ইন্টারকন্টিনেন্টাল ব্যালেস্টিক মিজাইল (ICBM) নিয়ে এর  আগের পর্বে আইসিবিএম কি এর ইতিহাস ও ওয়ারহেড নিয়ে আলোচনা করেছি। এই পর্বে মূলত আইসিবিএম এর প্রকারভেদ নিয়ে আলোচনা হবে। এখানে উল্লেখ্য যে ইন্টারনেটে বিভিন্ন ওয়েবসাইটে আইসিবিএম নিয়ে আলোচনা থাকলেও এর প্রকারভেদ নিয়ে তেমন আলোচনা নাই। এছাড়া আইসিবিএম এর সর্বজন গ্রহণযোগ্য কোন শ্রেণীবিভাগও নাই। তবে বিভিন্ন সাইটে আলাদা ভাবে বিভিন্ন আইসিবিএম সম্পর্কে পড়ে আমার ধারনা অনুযায়ী শ্রেণীবিভাগ করেছি। এগুলো আলাদাভাবে খুঁজলে আপনারা অবশ্যই রেফারেন্স পাবেন। এই প্রকারভেদ এর ভিত্তি মূলতঃ মিজাইল কি অবস্থায় থাকে।

ইন্টারকন্টিনেন্টাল ব্যালেস্টিক মিজাইল (আইসিবিএম)

ছবি
ইন্টারকন্টিনেন্টাল ব্যালেস্টিক মিজাইল (ICBM) যে মিজাইল পৃথিবীর উপ- কক্ষপথ (Sub-orbital) ও ব্যালেস্টিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে বোমা বা অন্য কোন জিনিস এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় পরিবহন করে নিয়ে যায় তাকে ব্যালেস্টিক মিজাইল বলে। যে  ব্যালেস্টিক মিজাইলের পাল্লা ৫৫০০ কিলোমিটার বা তার বেশি তাকে ইন্টারকন্টিনেন্টাল ব্যালেস্টিক মিজাইল বা আইসিবিএম বলে। সাধারনত ICBM গুলো পারমানবিক বোমা বহন করে। ICBM এর একই প্রযুক্তি মহাকাশে রকেট পাঠাতেও ব্যবহার হয়। আধুনিক আইসিবিএম ১০০০০ কিমি এর বেশি রেন্জেরও হয়ে থাকে। বর্তমানে মিজাইলগুলোর লক্ষভেদ অনেক উন্নত। এগুলোর গতিবেগ ঘন্টায় ১৫০০০ কিমি এর বেশিও হয়। বর্তমানে নিরাপত্তা পরিষদের ৫ স্থায়ী সদস্য আমেরিকা, রাশিয়া, ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, চীন সবার কাছেই  ইন্টারকন্টিনেন্টাল ব্যালিস্টিক মিজাইল আছে। ইসরাইল জেরিকো-৩  আইসিবিএম তৈরি করেছে। এছারা উত্তর কোরিয়ার তায়পোডং-২ যদি ৬০০০ কিমি পাল্লার হয় তবে তারাও আইসিবিএম এর মালিক বলতে হবে। ইরান, ভারত ও পাকিস্তানও আইসিবিএম তৈরির গবেষনা করছে।

এম ১৬ এ্যসল্ট রাইফেল (M 16)

ছবি
এম-১৬ এ্যসল্ট রাইফেল এম ১৬ আমেরিকান সৈন্যদের স্টান্ডার্ড ইস্যু এ্যসল্ট রাইফেল। এর আগে একে ৪৭ নিয়ে একটা পোস্ট দিয়েছিলাম।  ভাবলাম এর প্রধান কাউন্টারপার্ট হিসেবে M 16 নিয়েও একটা পোস্ট দেওয়া উচিত। ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময় থেকে শুরু করে বর্তমান পর্যন্ত এম ১৬ ই আমেরিকান আর্মির মূল এ্যসল্ট রাইফেল হিসেবে আছে।  M 16 এর পক্ষে বিপক্ষে অনেক কথা থাকলেও এর সবচেয়ে বড় সফলতা এত বছর ধরে আমেরিকান মূল এ্যসল্ট রাইফেল হিসেবে টিকে থাকা। এ পর্যন্ত ৮০ লক্ষের বেশি এম১৬ তৈরি হয়েছে। এম ১৬ একটি সিলেকটিভ ফায়ার অটোমেটিক রাইফেল। এটি Gas-operated, rotating bolt রাইফেল। এর ওজন ৩.৫ কেজি unloaded, ৪ কেজি loaded । ব্যারেল লম্বায় ২০ ইঞ্চি। ম্যাগাজিন ক্যাপসিটি ৩০ রাউন্ড। Effective range ৫৫০ মিটার। এর অটোমেটিক Rate of fire 700–950 rounds/min। এতে বিভিন্ন রকম সাইট ও M203 grenade launcher সংযুক্ত করা যায়।

একে-৪৭ এসল্ট রাইফেল (AK-47)

ছবি
একে-৪৭ এসল্ট রাইফেল একে-৪৭ বর্তমান বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় আগ্নেয়াস্ত্র। এসল্ট রাইফেল হিসেবে এটিই সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ও জনপ্রিয় । এটা 7.62x39mm কার্টিজ ব্যাবহার করে। ১৯৪৭ সালে রাশিয়ার (তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের) মিখাইল কালাশানিকভ এই রাইফেল তৈরি করেন বলে এর নাম হয়েছে AK-47 (Avtomat Kalashnikova 1947)। সোভিয়েত ইউনিয়নে এটা প্রথম সার্ভিসে আসে ১৯৪৯ সালে। তারপর থেকেই পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন দেশে এসল্ট রাইফেল হিসেবে AK-47 সিরিজ ও এর বিভিন্ন স্থানীয় সংস্করনের ব্যাপক ব্যবহার শুরু হয়। ভিয়েনাম যুদ্ধসহ অনেক যুদ্ধে ফলাফল নির্ধারনে এই রাইফেল ব্যাপক ভূমিকা রেখেছে।

ইউরোফাইটার টাইফুন

ছবি
ফাইটার সিরিজ ৫: ইউরোফাইটার টাইফুন ইউরোফাইটার টাইফুন বিশ্বে নতুন বের হওয়া অত্যাধুনিক ফাইটারগুলোর মধ্যে অন্যতম। এটি ইংল্যান্ড, জার্মানী, ইতালী ও স্পেনের একটি যৌথ প্রজেক্ট। এটা বিশ্বের ২য় দামী ফাইটার বটে। ইউরোফাইটার টাইফুন একটি মাল্টিরোল ফাইটার। তবে একে মূলত এয়ার টু এয়ার এ্যটাকের জন্যই অপ্টিমাইজ করা হয়েছে সাথে সেকেন্ডারি এয়ার টু গ্রাউন্ড এ্যটাক ব্যাবস্থা রাখা হয়েছে।

ফাইটার সিরিজ ৪: এসইউ ২৭ ফ্লান্কার

ছবি
ফাইটার সিরিজ ৪: এসইউ ২৭ ফ্লান্কার Sukhoi Su-27 রাশিয়ার তৈরি একটি চতুর্থ প্রজন্মের জঙ্গি বিমান। এর ন্যাটো রিপোর্টিং নাম ফ্লান্কার। ১৯৮৪ সালে রাশিয়ার বিমান বাহিনীতে এই বিমানে যোগ দেয়। এই ফাইটারই রাশিয়া ও চিনা বিমানবাহিনীর মূল এয়ার সুপিরিউরিটি ফাইটার। এটি ভুমিতে লক্ষবস্তুতেও আঘাত করতে পারে তবে মূলতঃ এয়ার সুপিরিউরিটি ফাইটার হিসেবেই সাধারনত ব্যবহৃত হয়। এটিই প্রথম ফাইটার প্লেন যাকে অনেক পশ্চিমা বিশেষজ্ঞ নিজেদের যেকোনো ফাইটার থেকে ভাল বলেছেন। এটি তৈরি করেছে Sukhoi Design Bureau। ১৯৬৯ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন আমেরিকার এফএক্স প্রোগ্রাম সম্পর্কে জানতে পারে যার মাধ্যমে আমেরিকা F14, F15, F16 ফাইটার প্লেন তৈরি করে। এরই কাউন্টার ব্যবস্থা হিসেবে সোভিয়েত ইউনিয়ন নতুন প্রজাতীর আধুনিক ফাইটার তৈরির প্রোগ্রাম হাতে নেয় এবং আমেরিকার তৈরি ফাইটারের সাথে মিল রেখেই Heavy Advanced Tactical Fighter হিসেবে Su-27 এবং Lightweight Advanced Tactical Fighter হিসেবে মিগ-২৯ তৈরি করে। Su-27 এর প্রথম প্রোটোটাইপ আকাশে ওরে ১৯৭৭ সালে। সার্ভিসে আসে ১৯৮৪ সালে। সার্ভিসে আসার পর এটি ৪০ টিরও বেশি বিশ্বরেকর্ড করতে সমর...

এফ ১৫ ঈগল

ছবি
এফ ১৫ ঈগল (F-15 Eagle) এফ ১৫ ঈগল আমেরিকার প্রধান এয়ার সুপিরিউরিটি ফাইটার। আকাশে ডগফাইটে অন্য বিমান ধ্বংশের জন্যই এই ফাইটার বিশেষভাবে তৈরি করা হয়েছে। এটি শুধুই আকাশ যুদ্ধে ব্যবহারের জন্য অর্থাৎ ভুমিতে আক্রমন বা বোমা ফেলার জন্য এই বিমান ব্যাবহার হয়না। ভিয়েতনাম যু্দ্ধে আমেরিকার অভিজ্ঞতায় সোভিয়েত বিমান ধ্বংশের জন্য এই ফাইটার তৈরি হয়েছিল। এর নির্মাতা প্রতিষ্ঠান McDonnell Douglas ও Boeing IDS। ১৯৭২ সালে এফ-১৫ ঈগল এর প্রথম প্রোটোটাইপ আকাশে ওড়ে। সার্ভিসে আসে ১৯৭৬ সালে। এটি আমেরিকার Fighter Experimental (F-X) প্রজেক্টের আওতায় তৈরি। এটি একটি বড় সাইজের হেভিওয়েট ফাইটার। এফ-১৫ এর পাশাপাশি এসময় লাইটওয়েট মাল্টিরোল ফাইটার হিসেবে এফ-১৬ তৈরি করা হয় এবং নেভির জন্য এফ-১৪  তৈরি করা হয়।

ফাইটার বিমানের প্রকারভেদ

ছবি
আগে মিগ-২৯ নিয়া একখানা পোস্ট দিয়েছি। ভাবলাম অন্য ফাইটার প্লেন নিয়া আলোচনার আগে ফাইটার প্লেনের প্রকার নিয়া কিছু সাধারন আলোচনা করি। ফাইটার প্লেন বা জঙ্গী বিমান প্রধানত ৪ প্রকার। যথাঃ ১. এ্যটাক ফাইটারঃ   এই ফাইটার ভুমিতে অবস্থিত লক্ষবস্তুতে আঘাত করার জন্য তৈরি। অন্য বিমান ধ্বংশের জন্য অনেক সময় এতে অল্প অস্ত্র থাকে। যেমন Jaguar, F111, F117(Stealth), F-15E (Strike Eagle), A10, Su24, Su25, Su34,  Mig 23, Mig 27 ইত্যাদি। বেশিরভাগ দেশই এ্যটাক ফাইটার ব্যবহার করে। SEPECAT Jaguar:

সাবমেরিন সিরিজ ১: নিউক্লিয়ার সাবমেরিন (Nuclear Submarine

ছবি
সাবমেরিন সিরিজ ১: নিউক্লিয়ার সাবমেরিন (Nuclear Submarine) নিউক্লিয়ার সাবমেরিন হলো এমন ডুবোজাহাজ যা তার ভিতরের নিউক্লিয়ার রিয়্যাকটরে উৎপাদিত বিদ্যুৎ শক্তিতে চলে। অনেকেরই মনে ভূল ধারনা আছে যে নিউক্লিয়ার সাবমেরিন মানেই হলো পারমানবিক বোমাবাহী ডুবোজাহাজ। কিন্তু আসলে নিউক্লিয়ার সাবমেরিনে পারমানবিক বোমা বা মিজাইল থাকতেও পারে আবার নাও থাকতে পারে। নিউক্লিয়ার সাবমেরিন অন্য ডিজেলচালিত সাবমেরিন থেকে আয়তনে বড় হয় (সাধারনত ৫০০০ টনের উপরে)। এগুলো দীর্ঘ সময় ধরে একনাগারে সাগরে থাকতে পারে, ছোটগুলারও ৫ বছরের আগে জ্বালানী শেষ হয় না। এগুলোর গতিবেগও বেশি। প্রথম নিউক্লিয়ার সাবমেরিন হলো আমেরিকার তৈরি USS Nautilus (SSN-571) এটাক সাবমেরিন। বর্তমানে নিরাপত্তা পরিষদের ৫ সদস্যের কাছেই নিউক্লিয়ার সাবমেরিন আছে। USS Nautilus এখন নিউক্লিয়ার সাবমেরিনের শ্রেণীবিভাগ নিয়ে আলোচনা করবো। এখানে এই শেণীবিভাগ করা হয়েছে মূলত সাবমেরিনের অস্ত্র বা বোমার উপর ভিত্তি করে।