পোস্টগুলি

এম ১৬ এ্যসল্ট রাইফেল (M 16)

ছবি
এম-১৬ এ্যসল্ট রাইফেল এম ১৬ আমেরিকান সৈন্যদের স্টান্ডার্ড ইস্যু এ্যসল্ট রাইফেল। এর আগে একে ৪৭ নিয়ে একটা পোস্ট দিয়েছিলাম।  ভাবলাম এর প্রধান কাউন্টারপার্ট হিসেবে M 16 নিয়েও একটা পোস্ট দেওয়া উচিত। ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময় থেকে শুরু করে বর্তমান পর্যন্ত এম ১৬ ই আমেরিকান আর্মির মূল এ্যসল্ট রাইফেল হিসেবে আছে।  M 16 এর পক্ষে বিপক্ষে অনেক কথা থাকলেও এর সবচেয়ে বড় সফলতা এত বছর ধরে আমেরিকান মূল এ্যসল্ট রাইফেল হিসেবে টিকে থাকা। এ পর্যন্ত ৮০ লক্ষের বেশি এম১৬ তৈরি হয়েছে। এম ১৬ একটি সিলেকটিভ ফায়ার অটোমেটিক রাইফেল। এটি Gas-operated, rotating bolt রাইফেল। এর ওজন ৩.৫ কেজি unloaded, ৪ কেজি loaded । ব্যারেল লম্বায় ২০ ইঞ্চি। ম্যাগাজিন ক্যাপসিটি ৩০ রাউন্ড। Effective range ৫৫০ মিটার। এর অটোমেটিক Rate of fire 700–950 rounds/min। এতে বিভিন্ন রকম সাইট ও M203 grenade launcher সংযুক্ত করা যায়।

একে-৪৭ এসল্ট রাইফেল (AK-47)

ছবি
একে-৪৭ এসল্ট রাইফেল একে-৪৭ বর্তমান বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় আগ্নেয়াস্ত্র। এসল্ট রাইফেল হিসেবে এটিই সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ও জনপ্রিয় । এটা 7.62x39mm কার্টিজ ব্যাবহার করে। ১৯৪৭ সালে রাশিয়ার (তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের) মিখাইল কালাশানিকভ এই রাইফেল তৈরি করেন বলে এর নাম হয়েছে AK-47 (Avtomat Kalashnikova 1947)। সোভিয়েত ইউনিয়নে এটা প্রথম সার্ভিসে আসে ১৯৪৯ সালে। তারপর থেকেই পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন দেশে এসল্ট রাইফেল হিসেবে AK-47 সিরিজ ও এর বিভিন্ন স্থানীয় সংস্করনের ব্যাপক ব্যবহার শুরু হয়। ভিয়েনাম যুদ্ধসহ অনেক যুদ্ধে ফলাফল নির্ধারনে এই রাইফেল ব্যাপক ভূমিকা রেখেছে।

ইউরোফাইটার টাইফুন

ছবি
ফাইটার সিরিজ ৫: ইউরোফাইটার টাইফুন ইউরোফাইটার টাইফুন বিশ্বে নতুন বের হওয়া অত্যাধুনিক ফাইটারগুলোর মধ্যে অন্যতম। এটি ইংল্যান্ড, জার্মানী, ইতালী ও স্পেনের একটি যৌথ প্রজেক্ট। এটা বিশ্বের ২য় দামী ফাইটার বটে। ইউরোফাইটার টাইফুন একটি মাল্টিরোল ফাইটার। তবে একে মূলত এয়ার টু এয়ার এ্যটাকের জন্যই অপ্টিমাইজ করা হয়েছে সাথে সেকেন্ডারি এয়ার টু গ্রাউন্ড এ্যটাক ব্যাবস্থা রাখা হয়েছে।

ফাইটার সিরিজ ৪: এসইউ ২৭ ফ্লান্কার

ছবি
ফাইটার সিরিজ ৪: এসইউ ২৭ ফ্লান্কার Sukhoi Su-27 রাশিয়ার তৈরি একটি চতুর্থ প্রজন্মের জঙ্গি বিমান। এর ন্যাটো রিপোর্টিং নাম ফ্লান্কার। ১৯৮৪ সালে রাশিয়ার বিমান বাহিনীতে এই বিমানে যোগ দেয়। এই ফাইটারই রাশিয়া ও চিনা বিমানবাহিনীর মূল এয়ার সুপিরিউরিটি ফাইটার। এটি ভুমিতে লক্ষবস্তুতেও আঘাত করতে পারে তবে মূলতঃ এয়ার সুপিরিউরিটি ফাইটার হিসেবেই সাধারনত ব্যবহৃত হয়। এটিই প্রথম ফাইটার প্লেন যাকে অনেক পশ্চিমা বিশেষজ্ঞ নিজেদের যেকোনো ফাইটার থেকে ভাল বলেছেন। এটি তৈরি করেছে Sukhoi Design Bureau। ১৯৬৯ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন আমেরিকার এফএক্স প্রোগ্রাম সম্পর্কে জানতে পারে যার মাধ্যমে আমেরিকা F14, F15, F16 ফাইটার প্লেন তৈরি করে। এরই কাউন্টার ব্যবস্থা হিসেবে সোভিয়েত ইউনিয়ন নতুন প্রজাতীর আধুনিক ফাইটার তৈরির প্রোগ্রাম হাতে নেয় এবং আমেরিকার তৈরি ফাইটারের সাথে মিল রেখেই Heavy Advanced Tactical Fighter হিসেবে Su-27 এবং Lightweight Advanced Tactical Fighter হিসেবে মিগ-২৯ তৈরি করে। Su-27 এর প্রথম প্রোটোটাইপ আকাশে ওরে ১৯৭৭ সালে। সার্ভিসে আসে ১৯৮৪ সালে। সার্ভিসে আসার পর এটি ৪০ টিরও বেশি বিশ্বরেকর্ড করতে সমর...

এফ ১৫ ঈগল

ছবি
এফ ১৫ ঈগল (F-15 Eagle) এফ ১৫ ঈগল আমেরিকার প্রধান এয়ার সুপিরিউরিটি ফাইটার। আকাশে ডগফাইটে অন্য বিমান ধ্বংশের জন্যই এই ফাইটার বিশেষভাবে তৈরি করা হয়েছে। এটি শুধুই আকাশ যুদ্ধে ব্যবহারের জন্য অর্থাৎ ভুমিতে আক্রমন বা বোমা ফেলার জন্য এই বিমান ব্যাবহার হয়না। ভিয়েতনাম যু্দ্ধে আমেরিকার অভিজ্ঞতায় সোভিয়েত বিমান ধ্বংশের জন্য এই ফাইটার তৈরি হয়েছিল। এর নির্মাতা প্রতিষ্ঠান McDonnell Douglas ও Boeing IDS। ১৯৭২ সালে এফ-১৫ ঈগল এর প্রথম প্রোটোটাইপ আকাশে ওড়ে। সার্ভিসে আসে ১৯৭৬ সালে। এটি আমেরিকার Fighter Experimental (F-X) প্রজেক্টের আওতায় তৈরি। এটি একটি বড় সাইজের হেভিওয়েট ফাইটার। এফ-১৫ এর পাশাপাশি এসময় লাইটওয়েট মাল্টিরোল ফাইটার হিসেবে এফ-১৬ তৈরি করা হয় এবং নেভির জন্য এফ-১৪  তৈরি করা হয়।

ফাইটার বিমানের প্রকারভেদ

ছবি
আগে মিগ-২৯ নিয়া একখানা পোস্ট দিয়েছি। ভাবলাম অন্য ফাইটার প্লেন নিয়া আলোচনার আগে ফাইটার প্লেনের প্রকার নিয়া কিছু সাধারন আলোচনা করি। ফাইটার প্লেন বা জঙ্গী বিমান প্রধানত ৪ প্রকার। যথাঃ ১. এ্যটাক ফাইটারঃ   এই ফাইটার ভুমিতে অবস্থিত লক্ষবস্তুতে আঘাত করার জন্য তৈরি। অন্য বিমান ধ্বংশের জন্য অনেক সময় এতে অল্প অস্ত্র থাকে। যেমন Jaguar, F111, F117(Stealth), F-15E (Strike Eagle), A10, Su24, Su25, Su34,  Mig 23, Mig 27 ইত্যাদি। বেশিরভাগ দেশই এ্যটাক ফাইটার ব্যবহার করে। SEPECAT Jaguar:

সাবমেরিন সিরিজ ১: নিউক্লিয়ার সাবমেরিন (Nuclear Submarine

ছবি
সাবমেরিন সিরিজ ১: নিউক্লিয়ার সাবমেরিন (Nuclear Submarine) নিউক্লিয়ার সাবমেরিন হলো এমন ডুবোজাহাজ যা তার ভিতরের নিউক্লিয়ার রিয়্যাকটরে উৎপাদিত বিদ্যুৎ শক্তিতে চলে। অনেকেরই মনে ভূল ধারনা আছে যে নিউক্লিয়ার সাবমেরিন মানেই হলো পারমানবিক বোমাবাহী ডুবোজাহাজ। কিন্তু আসলে নিউক্লিয়ার সাবমেরিনে পারমানবিক বোমা বা মিজাইল থাকতেও পারে আবার নাও থাকতে পারে। নিউক্লিয়ার সাবমেরিন অন্য ডিজেলচালিত সাবমেরিন থেকে আয়তনে বড় হয় (সাধারনত ৫০০০ টনের উপরে)। এগুলো দীর্ঘ সময় ধরে একনাগারে সাগরে থাকতে পারে, ছোটগুলারও ৫ বছরের আগে জ্বালানী শেষ হয় না। এগুলোর গতিবেগও বেশি। প্রথম নিউক্লিয়ার সাবমেরিন হলো আমেরিকার তৈরি USS Nautilus (SSN-571) এটাক সাবমেরিন। বর্তমানে নিরাপত্তা পরিষদের ৫ সদস্যের কাছেই নিউক্লিয়ার সাবমেরিন আছে। USS Nautilus এখন নিউক্লিয়ার সাবমেরিনের শ্রেণীবিভাগ নিয়ে আলোচনা করবো। এখানে এই শেণীবিভাগ করা হয়েছে মূলত সাবমেরিনের অস্ত্র বা বোমার উপর ভিত্তি করে।