পোস্টগুলি

এফ ১৬ ফাইটিং ফ্যালকন

ছবি
ফাইটার সিরিজ ৯: এফ ১৬ ফাইটিং ফ্যালকন এফ-১৬ ফাইটিং ফ্যালকন আমেরিকায় তৈরি ৪র্থ জেনারেশন মাল্টিরোল ফাইটার। এটি অন্য বিমানের বিরুদ্ধেও যুদ্ধ করতে পারে আবার ছোটখাট বোমারু বিমানের ভূমিকাতেও নামতে পারে। ১৯৭৮ সালে প্রথম সার্ভিসে এলেও এখনও এটা আমেরিকার প্রধান মাল্টিরোল ফাইটার হিসেবে নিজের অবস্থান ধরে রেখেছে। ইউএস এয়ার ফোর্সে যেসব বিমান বর্তমানে আছে তার মধ্যে এফ-১৬ ই সংখ্যায় সবচেয়ে বেশি। বিভিন্ন কারনে এফ ১৬ নিয়ে আলোচনা সমালোচনাও অনেক।এ্‌ই বিমানকে “ভাইপার” নামেও ডাকা হয়।এফ -১৬ এর প্রথম দিকের সংস্করন F-16A (single seat) and F-16B (two seat)নামে পরিচিত। পরের সংস্করন F-16C (single seat) and F-16D (two seat)নামে পরিচিত।

ইন্টারকন্টিনেন্টাল ব্যালেস্টিক মিজাইল (আইসিবিএম) ২য় পর্ব

ছবি
ইন্টারকন্টিনেন্টাল ব্যালেস্টিক মিজাইল (ICBM) নিয়ে এর  আগের পর্বে আইসিবিএম কি এর ইতিহাস ও ওয়ারহেড নিয়ে আলোচনা করেছি। এই পর্বে মূলত আইসিবিএম এর প্রকারভেদ নিয়ে আলোচনা হবে। এখানে উল্লেখ্য যে ইন্টারনেটে বিভিন্ন ওয়েবসাইটে আইসিবিএম নিয়ে আলোচনা থাকলেও এর প্রকারভেদ নিয়ে তেমন আলোচনা নাই। এছাড়া আইসিবিএম এর সর্বজন গ্রহণযোগ্য কোন শ্রেণীবিভাগও নাই। তবে বিভিন্ন সাইটে আলাদা ভাবে বিভিন্ন আইসিবিএম সম্পর্কে পড়ে আমার ধারনা অনুযায়ী শ্রেণীবিভাগ করেছি। এগুলো আলাদাভাবে খুঁজলে আপনারা অবশ্যই রেফারেন্স পাবেন। এই প্রকারভেদ এর ভিত্তি মূলতঃ মিজাইল কি অবস্থায় থাকে।

ইন্টারকন্টিনেন্টাল ব্যালেস্টিক মিজাইল (আইসিবিএম)

ছবি
ইন্টারকন্টিনেন্টাল ব্যালেস্টিক মিজাইল (ICBM) যে মিজাইল পৃথিবীর উপ- কক্ষপথ (Sub-orbital) ও ব্যালেস্টিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে বোমা বা অন্য কোন জিনিস এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় পরিবহন করে নিয়ে যায় তাকে ব্যালেস্টিক মিজাইল বলে। যে  ব্যালেস্টিক মিজাইলের পাল্লা ৫৫০০ কিলোমিটার বা তার বেশি তাকে ইন্টারকন্টিনেন্টাল ব্যালেস্টিক মিজাইল বা আইসিবিএম বলে। সাধারনত ICBM গুলো পারমানবিক বোমা বহন করে। ICBM এর একই প্রযুক্তি মহাকাশে রকেট পাঠাতেও ব্যবহার হয়। আধুনিক আইসিবিএম ১০০০০ কিমি এর বেশি রেন্জেরও হয়ে থাকে। বর্তমানে মিজাইলগুলোর লক্ষভেদ অনেক উন্নত। এগুলোর গতিবেগ ঘন্টায় ১৫০০০ কিমি এর বেশিও হয়। বর্তমানে নিরাপত্তা পরিষদের ৫ স্থায়ী সদস্য আমেরিকা, রাশিয়া, ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, চীন সবার কাছেই  ইন্টারকন্টিনেন্টাল ব্যালিস্টিক মিজাইল আছে। ইসরাইল জেরিকো-৩  আইসিবিএম তৈরি করেছে। এছারা উত্তর কোরিয়ার তায়পোডং-২ যদি ৬০০০ কিমি পাল্লার হয় তবে তারাও আইসিবিএম এর মালিক বলতে হবে। ইরান, ভারত ও পাকিস্তানও আইসিবিএম তৈরির গবেষনা করছে।

এম ১৬ এ্যসল্ট রাইফেল (M 16)

ছবি
এম-১৬ এ্যসল্ট রাইফেল এম ১৬ আমেরিকান সৈন্যদের স্টান্ডার্ড ইস্যু এ্যসল্ট রাইফেল। এর আগে একে ৪৭ নিয়ে একটা পোস্ট দিয়েছিলাম।  ভাবলাম এর প্রধান কাউন্টারপার্ট হিসেবে M 16 নিয়েও একটা পোস্ট দেওয়া উচিত। ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময় থেকে শুরু করে বর্তমান পর্যন্ত এম ১৬ ই আমেরিকান আর্মির মূল এ্যসল্ট রাইফেল হিসেবে আছে।  M 16 এর পক্ষে বিপক্ষে অনেক কথা থাকলেও এর সবচেয়ে বড় সফলতা এত বছর ধরে আমেরিকান মূল এ্যসল্ট রাইফেল হিসেবে টিকে থাকা। এ পর্যন্ত ৮০ লক্ষের বেশি এম১৬ তৈরি হয়েছে। এম ১৬ একটি সিলেকটিভ ফায়ার অটোমেটিক রাইফেল। এটি Gas-operated, rotating bolt রাইফেল। এর ওজন ৩.৫ কেজি unloaded, ৪ কেজি loaded । ব্যারেল লম্বায় ২০ ইঞ্চি। ম্যাগাজিন ক্যাপসিটি ৩০ রাউন্ড। Effective range ৫৫০ মিটার। এর অটোমেটিক Rate of fire 700–950 rounds/min। এতে বিভিন্ন রকম সাইট ও M203 grenade launcher সংযুক্ত করা যায়।

একে-৪৭ এসল্ট রাইফেল (AK-47)

ছবি
একে-৪৭ এসল্ট রাইফেল একে-৪৭ বর্তমান বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় আগ্নেয়াস্ত্র। এসল্ট রাইফেল হিসেবে এটিই সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ও জনপ্রিয় । এটা 7.62x39mm কার্টিজ ব্যাবহার করে। ১৯৪৭ সালে রাশিয়ার (তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের) মিখাইল কালাশানিকভ এই রাইফেল তৈরি করেন বলে এর নাম হয়েছে AK-47 (Avtomat Kalashnikova 1947)। সোভিয়েত ইউনিয়নে এটা প্রথম সার্ভিসে আসে ১৯৪৯ সালে। তারপর থেকেই পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন দেশে এসল্ট রাইফেল হিসেবে AK-47 সিরিজ ও এর বিভিন্ন স্থানীয় সংস্করনের ব্যাপক ব্যবহার শুরু হয়। ভিয়েনাম যুদ্ধসহ অনেক যুদ্ধে ফলাফল নির্ধারনে এই রাইফেল ব্যাপক ভূমিকা রেখেছে।

ইউরোফাইটার টাইফুন

ছবি
ফাইটার সিরিজ ৫: ইউরোফাইটার টাইফুন ইউরোফাইটার টাইফুন বিশ্বে নতুন বের হওয়া অত্যাধুনিক ফাইটারগুলোর মধ্যে অন্যতম। এটি ইংল্যান্ড, জার্মানী, ইতালী ও স্পেনের একটি যৌথ প্রজেক্ট। এটা বিশ্বের ২য় দামী ফাইটার বটে। ইউরোফাইটার টাইফুন একটি মাল্টিরোল ফাইটার। তবে একে মূলত এয়ার টু এয়ার এ্যটাকের জন্যই অপ্টিমাইজ করা হয়েছে সাথে সেকেন্ডারি এয়ার টু গ্রাউন্ড এ্যটাক ব্যাবস্থা রাখা হয়েছে।

ফাইটার সিরিজ ৪: এসইউ ২৭ ফ্লান্কার

ছবি
ফাইটার সিরিজ ৪: এসইউ ২৭ ফ্লান্কার Sukhoi Su-27 রাশিয়ার তৈরি একটি চতুর্থ প্রজন্মের জঙ্গি বিমান। এর ন্যাটো রিপোর্টিং নাম ফ্লান্কার। ১৯৮৪ সালে রাশিয়ার বিমান বাহিনীতে এই বিমানে যোগ দেয়। এই ফাইটারই রাশিয়া ও চিনা বিমানবাহিনীর মূল এয়ার সুপিরিউরিটি ফাইটার। এটি ভুমিতে লক্ষবস্তুতেও আঘাত করতে পারে তবে মূলতঃ এয়ার সুপিরিউরিটি ফাইটার হিসেবেই সাধারনত ব্যবহৃত হয়। এটিই প্রথম ফাইটার প্লেন যাকে অনেক পশ্চিমা বিশেষজ্ঞ নিজেদের যেকোনো ফাইটার থেকে ভাল বলেছেন। এটি তৈরি করেছে Sukhoi Design Bureau। ১৯৬৯ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন আমেরিকার এফএক্স প্রোগ্রাম সম্পর্কে জানতে পারে যার মাধ্যমে আমেরিকা F14, F15, F16 ফাইটার প্লেন তৈরি করে। এরই কাউন্টার ব্যবস্থা হিসেবে সোভিয়েত ইউনিয়ন নতুন প্রজাতীর আধুনিক ফাইটার তৈরির প্রোগ্রাম হাতে নেয় এবং আমেরিকার তৈরি ফাইটারের সাথে মিল রেখেই Heavy Advanced Tactical Fighter হিসেবে Su-27 এবং Lightweight Advanced Tactical Fighter হিসেবে মিগ-২৯ তৈরি করে। Su-27 এর প্রথম প্রোটোটাইপ আকাশে ওরে ১৯৭৭ সালে। সার্ভিসে আসে ১৯৮৪ সালে। সার্ভিসে আসার পর এটি ৪০ টিরও বেশি বিশ্বরেকর্ড করতে সমর...